কিডনি আমাদের শরিরের অতি গুরত্বপূর্ন কার্যসম্পাদন করে থাকে , দিন দিন দেশে কিডনি জনিত সম্যসার রোগী বেড়ে চলেছে। রোগ সারানোর ঔষধ ও কিডনির উপরে ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করতে পারে। আসুন জেনে নেয়া যাক।

 

ব্যাথা উপশমের ঔষধ
কথায় কথায় ওভার-দি-কাউন্টার ব্যাথানাশক যেমন- এসপিরিন, ন্যাপ্রোক্সেন এবং আইবুপ্রোফেনের মত ঔষধ কিডনির ক্ষতি করতে পারে। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন নিয়মিত এই ঔষধগুলো খাওয়া ঠিক নয়।

এলকোহল
অতিরিক্ত মদ পান কেবল কিডনিই নয়, লিভারেরও ক্ষতি করতে পারে। এলকোহল আছে এমন খাবার নিয়মিত খাওয়া থেকেও দূরে থাকা উচিত। সাধারণত বেশির ভাগ নিয়মিত মদপানকারীর কিডনি ও লিভার অকেজো পাওয়া যায়।

এন্টিবায়োটিক
শরীরের বিভিন্ন সংক্রমণে এমোক্সিসিলিন, এজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোফ্লুক্সাসিন, সেফুরেক্সিমসহ বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করা হয়। যদি নিয়ম মাফিক এন্টিবায়োটিক খাওয়া না হয় তা হয়ে পড়ে বিপদজনক। যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা আছে তাদের এন্টিবায়োটিকের ডোজ কম হওয়া উচিত।

প্রেশস্ক্রিপশন ল্যাক্সেটিভ
সাধারণত যেসকল ল্যাক্সাটিভ (কোষ্ঠ্যকাঠিন্য নিরাময়ের ঔষধ) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যায় (ওভার-দি-কাউন্টার মেডিসিন) সেসব ল্যাক্সেটিভ নিরাপদ। কিন্তু কিছু প্রেশক্রিপশন ল্যাক্সেটিভ আছে যা কিডনির জন্যে ক্ষতিকারক। সাধারণত কোলনস্কপি করার পূর্বে পেট খালি করার জন্যে যেসকল ল্যাক্সেটিভ প্রেসক্রাইব করা হয় তা কিডনির জন্যে ক্ষতিকারক হয়। তাই এধরণের প্রেশস্ক্রিপশন ল্যাক্সেটিভ সেবনের পূর্বে কিডনিতে কোন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের সাথে তা আলাপ করে নেয়া যায়।

কন্ট্র্যাস্ট ডাই
কিছু মেডিকেল টেস্ট আছে যেমন ইমেজিং টেস্টে একধরণের ডাই বা রঞ্জক ব্যবহৃত হয় যাকে কন্ট্র্যাস্ট ডাই বলা হয়। সাধারণত এম আর আই (MRI) এবং সিটি-স্ক্যানে(CT-Scan) এই ধরণের ডাই ব্যবহার করা হয়। এই কন্ট্র্যাস্ট ডাই যাদের কিডনিতে সমস্যা আছে তাদের জন্যে ক্ষতিকর।

মাদকজাতীয় ঔষধ
কোকেইন, হিরোয়িন এবং এমফেটামিন কিডনি অকেজো করে দেয়। স্ট্রিট ড্রাগস কেবল কিডনিই নয়, বরং উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এটাক প্রভৃতি অঘটন ঘটাতে পারে।

 

সুএ: প্রকাশ