অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধে বর্তমানে ইমারজেন্সী পিল অনেক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের বাজারে অনেক কোম্পানিই এই বিশেষ পিলটি বাজারজাত করে থাকে। সাধারণত সহবাসের 48-120 ঘন্টার মধ্যে এই পিল ব্যবহার করতে হয়। প্রেগনেন্সি স্ট্যাটাস বুঝতে না পেরে অনেকেই এই পিল প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সেবন করেন। যা মারাত্মক প্বার্শপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

আজকে জানিয়ে দিবো এ সম্পর্কিত বেশ কিছু গুরুত্ব তথ্য।

  • ইমারজেন্সী কন্ট্রাসেপটিভ পিল কখনোই এ্যাবরশন করায় না। শুধুই ওভুলেশন বা শুক্রানু-ডিম্বানুর মিলনের সময়কে পিছিয়ে দেয়। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে শুক্রানু-ডিম্বানুর মিলন না হওয়ায় শুক্রানু মারা যায় । ফলে ওভুলেশন পিছিয়ে প্রেগনেন্সি রুখে দেয়। তাই কেউ গর্ভধারণ করে ফেললে এই পিলে আর কোনো কাজ হবেনা।
  • অনেক মানুষই এই পিলকে মর্ণিং আফটার পিল বলে থাকেন। তার মানে এই নয় যে, এই পিল সকালেই খেতে হবে। আপনি রাতে সহবাস করার পরেও খেতে পারেন। নিয়ম হচ্ছে, যত দ্রুত সেবন করবেন ততই ভালো।
  • ইমারজেন্সী পিলই কিন্ত সবকিছু নয়। এই মেকানিজমের সবচেয়ে ভালো কার্যকর প্রক্রিয়া হচ্ছে কপার আইইউডি/কপারটি ব্যবহার করা। যা আপনাকে ১০ বছর পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখতে পারে।
  • ইমারজেন্সী পিলের অনেকগুলো প্বার্শপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথা ব্যাথা, মাথা ধরা, বমি বমি ভাব, ক্র্যাম্প ইত্যাদি।
  • বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ইমারজেন্সী পিল কেনা যায়। তবে ঝুঁকি নিতে না চাইলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মতে সেবন করুণ।
  • যদি আপনি নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রন পিল খেতে কোনোদিন ভুলে যান, তাহলেও অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে আপনি ইমারজেন্সী পিল ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ওজন বাড়ার সঙ্গে ইমারজেন্সী পিলের কোনো  সম্পর্ক নেই।
  • ইমারজেন্সী পিল যখন তখন ব্যবহার করা উচিত নয়। যথেচ্ছ অনিরাপদ সহবাস আর ইমারজেন্সী পিল সেবন অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
  • কোনো ইমারজেন্সী পিলই শতভাগ নিরাপত্তা দেয়না। তাই কিছু ভুল ত্রুটির জন্য পিল খাওয়ার পরও গর্ভবতী হতে পারেন।
  • ইমারজেন্সী পিল ব্যবহারের ফলে আপনার পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। ভয়ের কোনো কারণ নেই, এটি স্বাভাবিক ব্যাপার।