সাধারণ চিকিৎসাঃ রোগীর মুখে খাওয়া বন্ধ রেখে শিরায় স্যালাইন দেয়া, ব্যাথার ঔষধ ও প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক দেয়া, রোগীর পালস, রক্তচাপ, তাপমাত্রা মনিটর করা, প্রস্রাব কতটুকু হচ্ছে তার পরিমাপ রাখা, হাসপাতালে ভর্তি রেখেই এসব চিকিৎসা করা উচিত।
নির্দিষ্ট চিকিৎসাঃ কারণ অনুযায়ী রোগীকে প্রস্তত করে প্রয়োজনীয় অপারেশনের ব্যবস্থা করা।