ডাঃ মোস্তফা শওকত ইমরান

  1. কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ ও সম্পৃক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে, যেমনঃ কলিজা,গরু ও খাসির মাংস, চর্বি, হাঁস, মুরগীর চামড়া, হাড়ের মজ্জা, ঘি, মাখন, ডালডা, মার্জারীন, পাঙ্গাস মাছ, গলদা চিংড়ী, নারকেল ইত্যাদি এর পরিবর্তে অসম্পৃক্ত ফ্যাট যেমন উদ্ভিদ তেল, জলপাই তেল, সূর্যমুখী তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি খাবেন। অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন-বেশী তেলে ভাজা খাবার, ঘি দিয়ে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড পরিহার করবেন। ওমেগা-থ্রি ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন-সামুদ্রিক মাছ, তিসির তেল, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
  2. অতিরিক্ত শর্করা লিভারে ফ্যাট হিসেবে জমা হয় কাজেই ভাতের ব্যাপারে সাবধান হতে হবে। দুই বেলা আটার রুটি ও এক বেলা ভাত খাবেন। সাদা চাল আটার চেয়ে লাল চাল ও আটা উত্তম। অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ সমৃদ্ধ খাবার পরিহার করবেন। যেমনঃ কোকাকোলা, সেভেন আপ জাতীয় সফট ড্রিংকস, কৃত্রিম জুস, চকলেট,সস ইত্যাদি। অতিরিক্ত চিনি, চিনি সমৃদ্ধ খাবার ও মিষ্টান্ন বর্জন করবেন।
  3. আঁশবহুল খাবার যেমন সব রকমের ডাল, সবুজ শাক-সবজি, টক জাতীয় ফল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খাবেন। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছু ফল রাখবেন তবে ডায়াবেটিক রোগীদের পাকা আম, পাকা পেয়ারা, কাঁঠাল, আপেল ইত্যাদি কম খাবেন। কাল জাম, লেবু, জাম্বুরা, আমলকি, কামরাঙ্গা, আমড়া ইত্যাদি খেতে বাধা নেই। প্রতিদিন ইসুবগুলের ভূষি খাওয়া উত্তম যা কোষ্ঠ্যকাঠিন্য প্রতিরোধের পাশাপাশি শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।
  4. সর ছাড়া দুধ খাওয়া যাবে। এছাড়া নিয়মিত নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় টক দই খাওয়া শরীরের ওজন কমানো সহ স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন উপকারী ভূমিকা পালন করে। হাঁস, মুরগীর ডিম খাওয়া যাবে।
  5. গবেষনাায় দেখা গেছে, নিয়মিত কফি সেবন ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ ও নিরাময়ে সাহায্য করে।