দাউদ এর সব ওষুধ তার কার্যকারিতা হারাচ্ছে শুধুমাত্র আমাদের অসচেতনতার কারণে। এমন কিছু হাই স্ট্রেনথ এর স্টেরয়েড ক্রীম ব্যবহার করছে, শুধু তা না। ইনজেক্টেবল ফর্ম ও নিচ্ছে অনেকে। আমাকে এসে বলে, ইনজেকশন দিয়েও ভালো হচ্ছেনা। এটা বুঝতে পারছেনা যে স্টেরয়েড ইনজেকশন এই রোগে দেয়া হারাম।
তার উপর কিছু পেশেন্ট পাই যারা অনেক দামি এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ খায় বাট লাগানোর মলম হিসেবে ঠিক উল্টো,খারাপ স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ দেয়। অনেকে আবার ডোজ ডিউরেশন এই তোয়াক্কা করেনা।
অনেক মুখে শুনে ওষুধ লাগিয়ে দেখে। এভাবে করে ফ্যামিলির প্রতিটা মানুষকে বিপদে ফেলে ।
এইসব কারণে এখন প্রায় সব এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ রেজিস্ট্যান্স শো করা শুরু করছে। তাই সময় থাকতে আমরা সচেতন হই।
দাউদ এখন এক মহামারীর মত রূপ নিয়েছে। এখন ই আমাদের সচেতন হতে হবে। । তাই প্রথম দেখাতেই আমাদের সঠিক ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। নাহলে আর কয়েক বছর পর অবস্থা ভয়াবহ হবে।

ডাঃ মনজুরুল করিম
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল,চট্টগ্রাম।