বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস অবশেষে বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক ট্যাবলেট ইমোরিভির। এর আগে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ট্যাবলেটের পরীক্ষামুলক প্রয়োগে বড় ধরণের সফলতা পেয়েছেন গবেষকরা। মোলন্যুপিরাভির নামক এই ট্যাবলেট তৈরী করেছেন মার্কিন প্রতিষ্ঠান মার্ক। মানবদেহে প্রয়োগের পর গবেষকরা বলছেন, এই ট্যাবলেট মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে সক্ষম। এমনকি করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার রোধ করতেও সক্ষম মোলন্যুপিরাভির। করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন তৈরীর পর থেকেই প্রক্রিয়া চলছিলো ট্যাবলেট তৈরীর। টিকার পাশাপাশি কিভাবে মুখে খাওয়ার ট্যাবলেটের মাধ্যমে ভাইরাস প্রতিরোধ করা যায়, তা নিয়ে গবেষনা শুরু করে বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের মার্ক।

জেনেরিক নামঃ মলনুপিরাভির।

ডোজেজ ফর্মঃ ক্যাপসুল।

টিজি নামঃ এন্টি-ইনফেকটিভস।

উপাদানঃ প্রতিটি ট্যাবলেটে রয়েঠে মলনুপিরাভির আইএনএন ২০০ মিগ্রা.
ইমোরিভির কিভাবে শরীরে কাজ করেঃ ইমোরিভির করোনাভাইরাসের রেফ্লিকেশনে বাধা সৃষ্টি করে। এটি ভাইরার আএনএ এর গঠন অনুকরণ করে। তাই, এটি ভাইরাল আরএনএ-র প্রতিলিপি তৈরিতে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে যার ফলে আরএনএর ত্রুটির অনুলিপি তৈরি হয়। এই মিউটেশনের ফলে ভাইরাল রেপ্লিকেশন সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যায়। এর ইউনিক গঠন ও মেকানিজমের কারণে এটি কোভিড-১৯ এর সকল ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম।

ব্যবহারঃ যারা SARS-COV-2 ডায়াগনোস্টিক টেস্টের মাধ্যমে মাঝারী থেকে তীব্র কোভিড-১৯ পজেটিভ রেজাল্ট পেয়েছেন, তারা ইমোরিভির 200 ব্যবহার করতে পারেন।
ডাক্তারে পরামর্শ ব্যতিত এই ঔষধ সেবন করা নিষেধ।

সেবনমাত্রা ও সেবনবিধিঃ
১. ৮০০ মিগ্রা. (৪টি ক্যাপসুল), দৈনিক ২টি করে ৫ দিন।
২. খাওয়ার আগে, খাওয়ার সময় অথবা খাওয়ার পরেও ব্যবহার করা যায়।
৩. ১৮ বছরের নিচে বয়সীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
প্রতিনির্দেশনাঃ এই ঔষধের কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদশীলতা থাকলে।

পার্শ প্রতিক্রিয়াঃ বমি বমি ভাব, ‍উদ্বিগ্নতা, মাথাব্যাথা, শরীরে র‌্যাশ, আর্টিকেরিয়া ইত্যাদি।

সংরক্ষনঃ ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রার উপরে রাখবেন না। শুকনো, আলো থেকে দূরে, বাচ্চাদের হাতের নাগালের বাইরে রাখুন।